বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী

ঐতিহাসিক সময়রেখা

আন্দোলন, সংগ্রাম ও বিজয়ের ৮৫ বছরের গৌরবোজ্জ্বল পথচলা। ১৯৪১ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে আজ অবধি একটি ইনসাফপূর্ণ সমাজ বিনির্মাণে জামায়াতে ইসলামীর ঐতিহাসিক বিবর্তনের পরিক্রমা।

৮৫ বছরের গৌরবোজ্জ্বল পথচলা

সর্বশেষ থেকে শুরু (২০২৬ — ১৯৪১)

২০০৯ – ২০২৬ (বর্তমান যুগ)
১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

সংসদে বিরোধীদলীয় নেতার শপথ

আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন, যা সংগঠনের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে।

১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

১৩শ সংসদ নির্বাচন

জামায়াত ৭৭টি আসন লাভ করে একটি প্রধান রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়।

১৯৯১ – ২০০৮ (গণতন্ত্র ও সরকার)
২০০১–২০০৬

জাতীয় সরকারে অংশগ্রহণ

৪-দলীয় ঐক্যজোট সরকারের অংশীদার হিসেবে কৃষি ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সফল পরিচালনা।

১৯৭৩ – ১৯৯০ (পুনর্গঠন ও গণতন্ত্রের সংগ্রাম)
১৯৮৭ – ১৯৯০

এরশাদ বিরোধী গণআন্দোলন

স্বৈরাচারী এরশাদ সরকারের পতনের লক্ষ্যে ১৫-দলীয় ও ৭-দলীয় জোটের সাথে যুগপৎ আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ। লিয়াজোঁ কমিটির মাধ্যমে আন্দোলনের রূপরেখা প্রণয়নে ভূমিকা পালন।

১০ নভেম্বর, ১৯৮৭

শহীদ নূর হোসেন ও ঐতিহাসিক জানাজা

স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে নূর হোসেনের শাহাদাতের পর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। তৎকালীন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল **মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী** এই জানাজায় ইমামতি করেন, যা আন্দোলনে সকল রাজনৈতিক শক্তির ঐক্যবদ্ধ অবস্থানের এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকে।

ঐতিহাসিক নথি
৭ মে, ১৯৮৬

সংসদীয় রাজনীতিতে পুনরুত্থান

৩য় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে জামায়াত ১০টি আসনে বিজয়ী হয়। সংসদে বিরোধী শক্তি হিসেবে জনগণের অধিকার রক্ষায় বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর হিসেবে আবির্ভূত হয়।

২৭ মে, ১৯৭৯

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর যাত্রা

রাজনৈতিক দল বিধির অধীনে 'বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী' (BJI) আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে। মাওলানা আব্বাস আলী খান ভারপ্রাপ্ত আমীর নির্বাচিত হন।

১৯৭৬ – ১৯৭৮

আইডিএল-এর মাধ্যমে কার্যক্রম

রাজনৈতিক বিধি-নিষেধের মাঝে জামায়াতের কর্মীরা 'ইসলামিক ডেমোক্রেটিক লীগ' (IDL) এর ব্যানারে রাজনৈতিক ও সামাজিক কাজ পরিচালনা করেন। ১৯৭৯-র নির্বাচনে আইডিএল জোটের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য সাফল্য আসে।

১৯৭০ – ১৯৭২
১৯৭২

সামাজিক ও আদর্শিক কার্যক্রম

স্বাধীনতার পর নতুন সংবিধানে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি সীমিত করায় সংগঠনটি জনসমক্ষে রাজনৈতিক কার্যক্রম স্থগিত রেখে অভ্যন্তরীণ সামাজিক ও আদর্শিক সংস্কারে মনোনিবেশ করে।

১৯৭১

রাজনৈতিক সংকট ও স্বাধীনতার যুদ্ধ

রাজনৈতিক সংকট চলাকালীন দলটি 'এক পাকিস্তান' নীতি বজায় রাখে এবং রাষ্ট্রের অখণ্ডতা রক্ষায় ফেডারেল সমাধান ও রাজনৈতিক আলোচনার ওপর গুরুত্বারোপ করে।

১৯৭০

ঐতিহাসিক নির্বাচন

পূর্ব পাকিস্তানে ১৪৭টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জামায়াত (দ্বিতীয় সর্বোচ্চ)। ইশতেহারে ইসলামী সামাজিক ন্যায়বিচার ও জাতীয় সংহতির আহ্বান জানানো হয়।

১৯৬০ – ১৯৬৯
১৯৬৯

আইয়ুব বিরোধী গণ-অভ্যুত্থান

ডেমোক্রেটিক অ্যাকশন কমিটিতে (DAC) যোগ দিয়ে আইয়ুব বিরোধী গণ-অভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

১৯৬৪

নিষেধাজ্ঞা ও আইনি লড়াই

আইয়ুব খান সরকার দলটিকে নিষিদ্ধ করলেও সুপ্রিম কোর্ট একে অবৈধ ঘোষণা করে। এটি রাজনৈতিক স্বাধীনতার ক্ষেত্রে একটি ঐতিহাসিক বিজয়।

১৯৪১ – ১৯৫৯ (প্রতিষ্ঠা ও প্রারম্ভিক সংগ্রাম)
১৯৫৬

প্রথম সংবিধান ও ইসলামী নীতি

১৯৫৬ সালের সংবিধানে 'পাকিস্তান ইসলামী প্রজাতন্ত্র' নামকরণ এবং রাষ্ট্রীয় মূলনীতিতে ইসলামী মূল্যবোধ অন্তর্ভুক্তির দাবিতে দেশব্যাপী জনমত গঠন।

১৯৫১

প্রথম নির্বাচনী রাজনীতি

পাঞ্জাব প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে জামায়াত প্রথমবারের মতো সংসদীয় গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে পা রাখে এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়।

১৯৪৮ - ১৯৫০

নেতৃত্বের কারাবরণ

ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থার রূপরেখা ও দাবির প্রেক্ষিতে মাওলানা মওদুদীসহ শীর্ষ নেতৃবৃন্দ প্রথমবার কারাবরণ করেন, যা সংগঠনের কর্মীদের ধৈর্য ও নিষ্ঠার পরীক্ষায় পরিণত হয়।

আগস্ট, ১৯৪৭

বিভাজন ও নতুন পথচলা

ভারত ও পাকিস্তান সৃষ্টির পর জামায়াতে ইসলামী স্বতন্ত্র দুটি জাতীয় সংগঠনে বিভক্ত হয়। লাহোরকে কেন্দ্র করে পাকিস্তান জামায়াতে ইসলামীর কার্যক্রম জোরদার হয়।

১৯৪১ (প্রতিষ্ঠা ও প্রারম্ভিক কাল)
২৬ আগস্ট, ১৯৪১

প্রতিষ্ঠা ও নৈতিক সংস্কার

মাওলানা আবুল আ'লা মওদুদীর নেতৃত্বে লাহোরে জামায়াতে ইসলামী হিন্দ প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি একটি সামাজিক ও নৈতিক সংস্কার আন্দোলন হিসেবে যাত্রা শুরু করে।

BJI Logo

মিলিত হোন
সম্মিলিত লক্ষ্যপানে

দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় শাসন-ক্ষমতা ধার্মিক ও নিঃস্বার্থ লোকদের হাতে থাকা প্রয়োজন।

আমি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে সমাজ ও রাষ্ট্রের সকল স্তরে সৎ ও যোগ্য লোকের শাসন প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় সমর্থন করি।

আমার জীবনকে নৈতিক দিক দিয়া উন্নত করিবার জন্য সর্বদা চেষ্টা করিব।

পুরো নাম
ফোন নম্বর
ইমেইল
জেলা
মতামত / আবেদন